নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯৭১ সালে মানুষ তাদের দেখেছে: তারেক রহমান
ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে নেওয়া।
বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে যখন এত মানুষ শহীদ হচ্ছিল, তখন তারা কী ভূমিকা রেখেছিল এখন মানুষ তা নতুন করে জানতে চাইছে। তখন মানুষ তাদের দেখেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরের আইনপুর মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজ তারা বলছে অমুককে দেখেছেন, তমুককে দেখেছেন। আমরা বলি, ভাই, আপনাদের তো মানুষ ৭১ সালেই দেখেছে। ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না।”
দেশের লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ সালে দেশের মানুষ দেখেছে আপনারা কীভাবে দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তখন লাখ লাখ মা-বোনের সম্মানহানি হয়েছে। আপনাদের ভূমিকার কারণে এই দেশের লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ পঙ্গু হয়েছেন। কাজেই আপনাদের ভূমিকা আমরা ৫০ বছর আগেই দেখে ফেলেছি।”
তিনি বলেন, “এখন যখন এসব কথা তাদের মুখ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ বুঝতে পারছে যে তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, দেশের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে ঠিক তখনই মানুষ তাদের চালাকি ও ষড়যন্ত্র ধরে ফেলেছে। আর যখন তারাও বুঝতে পারছে যে মানুষ সব বুঝে গেছে, তখন তারা সরকারের কাছে গিয়ে বলছে নিরাপত্তা দিতে হবে, প্রটোকল দিতে হবে।”
প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে তারেক রহমান
কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ও উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বলেন, “বিএনপির পক্ষ থেকে, লাখো জনতার পক্ষ থেকে আমি অনুরোধ করবো তাদের যদি প্রটোকল দরকার হয়, তাহলে তা তিন ডাবল করে দিন। বিএনপির চেয়েও তিনগুণ বেশি করে দিন।”
তারেক রহমান বলেন, “কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। মানুষ এখন সেটা বুঝতে পারছে। আমরা চাই না মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের কিছু করে বসুক। সে জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, তাদের প্রটোকল তিন গুণ বাড়িয়ে দিন।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “১৯৭১ সালে যখন এত মানুষ শহীদ হচ্ছিল, তখন তারা কী ভূমিকা রেখেছিল এখন মানুষ তা নতুন করে জানতে চাইছে।”
তিনি বলেন, “আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অনুরোধ করবো। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানসহ যারা দায়িত্বে আছেন, ডক্টরসহ সকলকে অনুরোধ করবো তাদের যেই প্রটোকল দেওয়া হয়েছে, আমাদের যেই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে, তার তিন গুণ বেশি করে দিন।”
তারেক রহমান আরো বলেন, “বিএনপির পক্ষ থেকে, লাখো জনতার পক্ষ থেকে আমরা সরকারের কাছে এই অনুরোধ জানাচ্ছি তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দিন। কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, আর মানুষ সেটা বুঝতে পেরে তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই না মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু করে বসুক।”
পথে-পথে জনসভা
এর আগে তারেক রহমান সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিশাল জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পথে তিনি সিলেট-ঢাকা মহাসড়কসংলগ্ন ছয় জেলার আরও ছয়টি স্থানে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় ভাষণ দেবেন। এর মধ্যে প্রথমে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুরের আইনপুর খেলার মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদের মাঠে আয়োজিত সভায় যোগ দেবেন।
পরে তারেক রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া ফুটবল খেলার মাঠে, কিশোরগঞ্জের ভৈরব স্টেডিয়ামে, নরসিংদীর পৌর পার্কে এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার অথবা রূপগঞ্জ গাউসিয়া এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেবেন। এসব জনসভায় তিনি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলো বিএনপি-মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেবেন।
ইএন/এসএইচএ
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























