ঢাকা, সোমবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৪ ১৪২৭

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭:৩৩, ৮ জানুয়ারি ২০২১

জলমহালের দখল নিয়ে সংঘর্ষ, বৃদ্ধ জেলের মৃত্যু

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার সুনই জলমহালের দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় এক জেলর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। 

এ ঘটনায় জলমহাল পাড়ের আশপাশের গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করায় সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

পুলিশ জানিয়েছে, দ্বন্দ্বে জড়িত দুই পক্ষের মধ্যে একপক্ষে (হামলাকারী) স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের ভাই ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রুখন ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, ধর্মপাশার বৃহৎ জলমহাল সুনই নিয়ে দুই মৎস্যজীবী সমিতির দ্বন্দ্ব চলছে অনেক দিন ধরে। জলমহালের খাজনা পরিশোধ করে দুই পক্ষই মহালের মালিকানা দাবি করে আসছে। একপক্ষ সম্প্রতি স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছিল।

এই দ্বন্দ্বের জেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় জলমহালের পাড়ে থাকা একপক্ষের মাছের খলায় আরেকপক্ষ আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন শ্যামাচরণ বর্মণ নামের ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ জেলেকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে।

দুই মৎস্যজীবী সমিতির নেতা চন্দন বর্মণ এবং সুবীর বর্মণ মহালের খাজনা জমা দিয়ে রশিদ দেখিয়ে জলমহালের দখল নিতে চাইলে জেলা প্রশাসন কাউকেই দখল বুঝিয়ে দেননি। কিন্তু দুইপক্ষই ওখানে মাছ ধরার জন্য স্থাপনা (খলা) নির্মাণ করেছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেও তিনি নির্দেশ মানেননি।

এ অবস্থায় সুবীর বর্মণের লোকজন অন্যপক্ষের স্থাপনায় হামলা করে। এ সময় চন্দন বর্মণের বাবা শ্যামাচরণ বর্মণকে হত্যা করা হয়। হামলাকারীদের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন রুখন ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়