ঢাকা, রোববার   ০১ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৭ ১৪২৮

ভ্রমণ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১৪, ১১ আগস্ট ২০২০

ফিরেছে বান্দরবানের পুরোনো রূপ, পথে পথে ফুলের গালিচা

যানবাহন না থাকায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচি সড়কে ফুলে ঢেকে আছে চিম্বুক সড়ক। ছবি: সংগৃহীত

যানবাহন না থাকায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচি সড়কে ফুলে ঢেকে আছে চিম্বুক সড়ক। ছবি: সংগৃহীত

করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৭ আগস্ট থেকে বান্দরবানে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যটনকেন্দ্র ও আবাসিক হোটেল-মোটেল খুলে দেয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এই নির্দেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পর্যটন খুলে দেয়ার আগাম সংবাদে হোটেল মোটেলে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এতোদিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় পর্যটক শূণ্য ছিল বান্দরবান। স্থানীয়রা মোটামুটি ঘরবন্দি ছিল। সড়কে গাড়ি চলাচল নেই বললেই চলে। এই সুযোগে প্রকৃতি তার পুরোনো রুটিনে মজেছে। বান্দবানের অধিকাংশ রাস্তা যেন সেজেছে ফুলে ফুলে।

বান্দরবানের জাদিপাড়া পাহাড় এলাকাটার জঙ্গল বেশ ঘন। সন্ধ্যা নামলেই একসময় শেয়ালের ডাক শোনা যেত। সেই সঙ্গে শঙ্খ নদের আরেক পাড় থেকে ভেসে আসত হরিণের ডাকও। এছাড়া গাছে গাছে প্রচুর পাখি ও দিন-দুপুরে ছিল বানরে দল। দুই দশক পর আবারো এমন দৃশ্যের দেখা মিলছে পাহাড়ি জেলাটিতে।

বান্দরবানের রাস্তার ধারে ধারে ফুটেছে নানান রকমের ফুল

বান্দরবানের বাসিন্দা জুয়েল বম বলেন, এমন সুনসান দিন আবারো দেখতে পাবো, তা ভাবিনি। আমাদের কাছে শান্ত ও নিস্তব্ধই ভালো লাগে। এখন আসল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় ঝরা ফুল পড়ে আছে, যা অনেক বছর পর দেখেছি।

বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাওয়াই বলেন,  বান্দরবান শহর হিসেবে বেশি দিনের নয়। এত দালানকোঠা, দোকানপাট, ভিড়, সড়কে এত যানবাহন কিছুই ছিল না। বাড়িগুলো ছিল বাঁশ ও গাছের তৈরি মাচাং ঘর। এর চারপাশে ছিল মনকাড়া ফুলের বাগান।

তবে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হবে মনে করছেন লেখক ও কবি মংক্যশোয়েনু নেভী। তিনি বলেন, 'কোনো কিছুই আগের মতো থাকবে না। তবু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পুরনো বান্দরবানকে ফিরিয়ে দিয়েছে। আগের সময়ের দৃশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে। এখন শহরটাও পরিচ্ছন্ন হয়েছে।' 

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়