Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, সোমবার   ১৬ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১ ১৪৩২

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৩

ঝড়ে মৌলভীবাজারে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা ব্যাহত

কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজার। ফলে রোববার (২ এপ্রিল) বিকেলে ঘুর্ণিঝড়ের পর থেকে মৌলভীবাজার শহর ও আশপাশ এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বলছে এই গাছের জন্য মৌলভীবাজারে বারবার বিপর্যয় ঘটছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়। ঝড়ের পর মৌলভীবাজার শহর ও আশপাশ এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার আই নিউজকে বলেন, শহরের শ্রীমঙ্গল সড়কে ঝড়ে দুইটি খুঁটি ভেঙ্গে পড়ে। এদিকে ৩৩ কেভি লাইনে বিপর্য ঘটে। শহরতলির হাসানপুর এলাকায় বাঁধের উপর লাগানো গাছ বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ে যায়। এতে বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে যায়।

এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান, বাঁধের উপর লাগানো একাশিয়া ও ইউক্যালিপটাস গাছের মাটি সরে গেছে। ফলে গাছগুলোর শিকড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঝড়ো বাতাসে গাছগুলো পাশে বিদ্যুৎ লাইনে পড়ে যায়।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার বলেন, এই গাছগুলো হয়তো অপসারণ নতুবা গাছের গোড়ায় শক্ত মাটি দিতে হবে। না হলে এই সমস্যা বারবার দেখা দেবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল আই নিউজকে বলেন, গাছ ও জমির মালিক স্থানীয় লোকজন। ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গার ওপর বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সাথে কথা বলে গাছ অপসারণ কিংবা গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে শক্ত করতে হবে।

এদিকে রোববার রাত সাড়ে ৮টা থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ আসতে শুরু করেছে। তবে রাত সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্ধকারে রয়েছে শহর ও শহরতলির অনেক এলাকা।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার বলেন, রাতের অন্ধকারে ঝড়ো বাতাসের মধ্যে টর্চলাইট দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন লাইন স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। আমি এখন হাসানপুরে আছি। সরেজমিনে কাজ তদারকি করছি। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করেছে। লাইন চেক করে করে সব এলাকায় বিদ্যুৎ চলে আসবে। তবে হাসানপুরের গাছের সমস্যার সমাধান না হলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

গাছ অপসারণ বিষয়ে চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আখতার উদ্দিন আই নিউজকে বলেন, এ বিষয়ে আমি দ্রুত পদক্ষেপ নেবো। সকাল ঘুম থেকে উঠেই স্থানীয় মানুষ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলবো। গাছ অপসারণ করতে হলে সেটা করবো। গাছের গোড়ায় মাটি দিতে হলে মাটি দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। 

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আখতার উদ্দিন বলেন, কয়েকদিন আগে রাস্তায় সাতটা গাছ পড়ে যায়। আমি স্থানীয় মানুষদের নিয়ে সেগুলো দ্রুত অপসারণ করি। কিন্তু হাসানপুরের গাছের কারণে এতোবড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় জানতামনা। আমি এ ব্যাপারে তড়িৎ ব্যবস্থা নেবো।

আইনিউজ/এইউ

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়