গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি
গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
গোয়াইনঘাটে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়ছে পানি। ছবি- আই নিউজ
সিলেটসহ সিলেটের বেশকিছু জেলা উপজেলায় বন্যার আশঙ্কা ক্রমশ ভয়ংক রূপ ধারণ করছে। টানা বৃষ্টি চলমান থাকায় গোয়াইনঘাট উপজেলায় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির পানি মিলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়ে গেছে গোয়াইনঘাটের নিম্নাঞ্চল। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১৩ জুন) ভোর থেকে থেকে টানা স্থানীয় ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা যেন তীলে তীলে গ্রাস করছে সীমান্ত জনপদ গোয়াইনঘাটকে। অতিবৃষ্টির কারণে উপজেলাবাসীর মাঝে বাড়ছে বন্যার আতংক।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার উনাই হাওরে নির্মানাধীন ব্রিজ, বঙ্গবীর ট্রানিং ও তোয়াকুল ব্রীজ নির্মানে ধীরগতি থাকায় তোয়াকুল, নন্দিরগাঁও রুস্তমপুর,পশ্চিম জাফলং, সদর, পূর্ব জাফলং ও মধ্য জাফলং ইউপির সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়াও গোয়াইনঘাট রাধানগর রাস্তার এক তৃতীয়াংশ বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার কারণে জরুরি কাজে উপজেলা সদরে আসতে কেউ কেউ ইঞ্জিন নৌকা ব্যবহার করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওরাঞ্চলের হাজারও মানুষ রয়েছেন পানি বন্দী। এছাড়াও উনাই হাওরে বাইপাশ সড়ক নিমজ্জিত থাকায় ঐ এলাকার বাজার গুলোতে নিত্য পণ্যে সরবরাহে বিঘ্নিত ঘটছে। ফলে জনসাধারণের দূর্ভোগ চরমে। একদিকে পানিবন্দী অন্যদিকে মানুষের কর্মসংস্থান না থাকায় দিনমজুর শ্রমিকেরা বেকার হয়ে পড়েছেন ফলে কাটছে মানবেতর দিন। হাওর বেষ্টিত গোয়াইনঘাট উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে গোচারণ ভূমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক পরিবার তাদের গৃহপালিত পশু নিয়ে রয়েছেন শংঙ্কায়। অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢল অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বিপদের শংঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
উপজেলা ত্রান ও দূর্যোগ শাখার কর্মকর্তা (পিআইও) শীর্ষেন্দূ পুরকাস্থ বলেন, সরকার প্রদত্ত আমাদের পর্যাপ্ত ত্রান রয়েছে, উপজেলা জুড়ে ৫৬টি আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিপুল সংখ্যক উদ্ধারকারী (রেসকিউ) টিম রয়েছে। আমরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি। উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধিদের জরুরি বার্তা দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা আছে।
তবে গেল বছরের ভয়াবহ বন্যার আতংকে এ বছরও শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা।
বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে সুনামগঞ্জেও। সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি বেড়ে ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জানাযায়, গত রোববার (১৮ জুন) রাত ৯টা থেকে সোমবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৩ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীতে এখনও পানি বাড়ছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৯৮ মিলিমিটার।
ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরের জামান চৌধুরী বন্যার আগাম প্রস্তুতির ব্যাপারে জানান, পানি সুরমা নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই উপজেলার বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রাখার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
পজেলা এলাকা প্লাবিত হলে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। সেখানে শুকনো খাবার সহ অন্যান ব্যাবস্থা করে রাখা হয়েছে।
আই নিউজ/এইচএ
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























