ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৮ ১৪২৭

প্রকাশিত: ১৪:০৭, ১৮ আগস্ট ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় ‘আজিজ ভাই’

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আজিজুর রহমানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছেন মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগে। আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যাওয়া এই নেতা ছিলেন দলটির কেদ্রীয় নেতা। তৃণমূল থেকে দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল তার সমান জনপ্রিয়তা।

দলের সাধারণ কর্মী থেকে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাও ভরসা রাখতেন আজিজুর রহমানের প্রতি। প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। যার প্রমাণও মিলেছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। ডিজিটাল প্রযুক্তি আসার পর জেলা পর্যায়ে প্রশাসনের সাথে অনেক মিটিং হচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সে। এই সব কনফারেন্সে যথরীথি উপস্থিত থাকতেন আজীজুর রহমানসহ অন্যরা।

কিন্তু যখনই প্রধানমন্ত্রীর সাথে দলীয় নেতাদের কথা বলা সুযোগ আসত। প্রধানমন্ত্রী নিজ থেকে খুঁজে নিতে আজিজুর রহমানকে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলতেন আমাদের মুরব্বি আজিজ ভাই কোথায় উনাকে দেন।

নিজ থেকে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও অফিসিয়ালদের মধ্যে বারবার আজিজুর রহমানকে খুঁজে নেওয়া। তাও প্রধানমন্ত্রীর নিজ থেকে। তা শ্রদ্ধা, বিশ্বাসযোগ্যতা; সেই সাথে আজিজুর রহমান যে প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় এবং আস্তাভাজন ছিলেন তা প্রমাণিত হত।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মৃত্যুর শেষ দিনে দল এবং দেশের প্রতি আদর্শের প্রতি অবিচল ছিলেন।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ ও রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আনুমানিক রাত আড়াইটার দিকে তিনি রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ৫ আগস্ট আজিজুর রহমান বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি হন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক হুইপ। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, ১৪ দলের জেলা সমন্বয়কসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন আজিজুর রহমান। ছিলেন গণপরিষদ সদস্য এবং বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাক্ষরকারী। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদকে মনোনীত হন।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়