Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, শনিবার   ১০ জানুয়ারি ২০২৬,   পৌষ ২৭ ১৪৩২

আই নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:২৪, ৯ জানুয়ারি ২০২৬

সীমানা জটিলতায় পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

ছবি: আই নিউজ

ছবি: আই নিউজ

সীমানা সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত সংশোধিত গেজেটের সংশ্লিষ্ট অংশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ও এক প্রার্থীর করা আবেদন শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। ওই গেজেটে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।

তবে এই পুনর্বিন্যাসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।

রায়ে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি পাবনার দুটি সংসদীয় আসন আগের সীমানা অনুযায়ী পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে পুরো সাঁথিয়া উপজেলা, বেড়া পৌরসভা এবং বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন- হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। অপরদিকে বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন এবং পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে গঠিত হয় পাবনা-২ আসন।

এদিকে হঠাৎ করে নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তে আসন দুটির প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। আইনি জটিলতা নিরসন হলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই দুই আসনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ সময়ে দেশের অন্যান্য সংসদীয় আসনে নির্বাচনি কার্যক্রম চলমান থাকবে।

ইএন/এসএইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়