Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, বুধবার   ০৭ জানুয়ারি ২০২৬,   পৌষ ২৩ ১৪৩২

রুপম আচার্য্য

প্রকাশিত: ১৩:২৯, ৫ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৩:৩৭, ৫ জানুয়ারি ২০২৬

পাহাড়-হাওর ঘেরা মৌলভীবাজারে শীত বেশি পড়ার কারণ কী?

ছবি: আই নিউজ

ছবি: আই নিউজ

মৌলভীবাজার জেলা, বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল ও জুড়ী অঞ্চলে প্রতিবছর শীতের তীব্রতা দেশের অনেক এলাকার তুলনায় বেশি অনুভূত হয়। ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সম্মিলিত প্রভাবে এ অঞ্চলে কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হয়।

জেলাটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং চারপাশে পাহাড় ও বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চল থাকায় শীতকালে হিমেল বাতাস সহজেই প্রবেশ করে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাস ও উচ্চ আর্দ্রতা একত্রে শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে তোলে।

এ অঞ্চলের ওপর হিমালয় পর্বতমালার পরোক্ষ প্রভাবও রয়েছে। হিমালয় থেকে নেমে আসা শীতল বায়ু প্রবাহ মৌলভীবাজারসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়, ফলে শীত আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

শীতকালে ঘন কুয়াশা আরেকটি বড় কারণ। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকা। এতে সূর্যের আলো বাধাগ্রস্ত হয় এবং দিনের বেলাতেও ঠান্ডা ভাব বজায় থাকে।

এ ছাড়া হাওর ও চা-বাগান অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানকার ভূমি উন্মুক্ত এবং আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে শীতের প্রভাব সরাসরি মানুষের জীবনে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন চা-শ্রমিক, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ, যাদের পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাব রয়েছে।

সব মিলিয়ে ভৌগোলিক অবস্থান, হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা ও আর্দ্র পরিবেশের কারণে মৌলভীবাজার জেলা, বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল ও জুড়ী অঞ্চলে শীতের প্রকোপ দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি অনুভূত হয়।

ইএন/এসএইচএ

Green Tea
সারাবাংলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়