ঢাকা, শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৪ ১৪২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৫৩, ২৮ মে ২০২১
আপডেট: ২০:৫১, ২৮ মে ২০২১

পুলিশি হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ সেই টিকটক হৃদয়

বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভয়ঙ্করভাবে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের বেঙ্গালুরু পুলিশ। এ ঘটনার অন্যতম হোতা বাংলাদেশি তরুণ টিকটক হৃদয় সকালে পালানোর চেষ্টা করে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন। 

জানা যায়, শুক্রবার সকালে পুলিশ অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে দুই আসামি পালানোর চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ তাদের পায়ে গুলি করলে টিকটক ‍হৃদয় বাবু ও তার সহযোগী সাগর আহত হন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে ডিসিপি (বেঙ্গালুরু ইস্ট) শ্রানাপ্পা এসডি জানান, ‘শুক্রবার ভোর ৫টা নাগাদ ঘটনার পুনঃতদন্তের জন্য অপরাধীদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অপরাধস্থলে। দুজন পালানোর চেষ্টা করায় পুলিশ বাধ্য হয় গুলি চালাতে। অভিযুক্তদের পায়ে গুলি লেগেছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

পুলিশ আরও জানায়,  তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

তাদের মধ্যে রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলের বাসিন্দা রিফাদুল ইসলাম হৃদয় রয়েছেন, যিনি এলাকায় ‘টিকটক হৃদয় বাবু’ নামে পরিচিত।

এ বিষয়ে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশের এক প্রেস নোটে জানানো হয়, ভিডিও ক্লিপ দেখে ঘটনায় জড়িত এক নারীসহ ৫ জনকে দ্রুত শনাক্ত করে আটক করা হয়। এরপর ভিডিও ক্লিপ এবং আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে রামমূর্তি নগর থানায় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, নিপীড়ন ও এ সংশ্লিষ্ট আইনের অন্যান্য ধারায় মামলা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই বাংলাদেশি।

ভারতের বেঙ্গালুরু পুলিশকে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার এনডিটিভি জানায়, নির্যাতনের ওই ঘটনাটি ঘটেছে ছয় দিন আগে। বিভৎস কায়দায় নির্যাতনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি দেখার পর প্রথম পদক্ষেপ নেয় আসাম পুলিশ। ওই ভিডিও থেকে পাঁচ নিপীড়কের ছবি প্রকাশ করে তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য টুইটারে পুরস্কারের ঘোষণা দেয় তারা।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়