ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জানুয়ারি ২০২২,   মাঘ ৭ ১৪২৮

এস আলম সুমন, কুলাউড়া

প্রকাশিত: ২২:৩২, ১৫ নভেম্বর ২০২১
আপডেট: ২২:৩৭, ১৫ নভেম্বর ২০২১

দাখিল পরীক্ষা : কুলাউড়ায় প্রশ্নপত্র দিতে বিলম্বের অভিযোগ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র দিতে ২৩ মিনিট বিলম্বের অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার মনসুর মোহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ঘটেছে এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা একই উপজেলার শ্রীপুর জালালীয়া মাদ্রাসার শিক্ষাথী ও দাখিল পরিক্ষার্থী। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কায় পড়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে সোমবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।

অভিযোগ ও  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৪ নভেম্বর) দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র মনসুর মোহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৩নং কক্ষে পরীক্ষা দিতে যান  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দাখিল কোরআন মাজিদ পরীক্ষা ছিলো। পরীক্ষা শুরুর সময় সকাল দশটার দিকে এমসিকিউ (শর্ট প্রশ্ন) দেওয়া হয়। পনেরো মিনিট পরে আবার সেটি নিয়ে যাওয়া হয়। তখন লিখিত পরীক্ষার খাতা দেওয়া হলেও প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়নি। ২৩ মিনিট পর প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। তখন কর্তৃপক্ষ আমাদের সময় বাড়িয়ে দেওয়ার স্বান্তনা দেন। কিন্তু পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ে আবার খাতাগুলো নিয়ে যাওয়া হয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এ সময় পরীক্ষার্থীরা বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে আরো কিছু সময় চাইলে তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। 

আরও পড়ুন : কারাগারে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছেন মাদ্রাসা ছাত্র

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. আবুল হাজালাত, মো. রেদওয়ানুল হক রাহেল ও আশরাফুল ইসলামসহ একাধিক পরীক্ষার্থী জানান, মনসুর মোহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৩নং কক্ষে আমরা দুই মাদ্রাসার ৩৮জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। পরীক্ষার প্রথম দিন কোরআন মজিদ পরীক্ষা ছিলো। নির্ধারিত সময়ের ২৩ মিনিট পরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে হল সুপারসহ কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দেন বিলম্ব সময় পুষিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ে আমাদের খাতাগুলো তুলে নেন হলের দায়িত্বরত শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন : এসএসসি পরীক্ষা : দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত সাড়ে ২৩ হাজার, বহিষ্কৃত ৩

তারা আরও জানান, বিলম্বের কারণে পাশের উত্তর লিখতে পারিনি। তখন আমরা কেন্দ্র সচিব এ এইচ এম বজলুল রহমানের কাছে গিয়ে অনেক অনুরোধ করলেও তিনি কোন সুরাহা দেননি। ফলে আমরা আমাদের ফলাফল বিপর্যের আশঙ্কায় পড়েছি। বিষয়টি আমাদের মাদ্রাসার সুপারসহ সবাইকে জানাই তাৎক্ষণিক।

এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিব এ এইচ এম বজলুল রহমানের মুঠোফোনে সোমবার বিকেল ৩টার দিকে যোগাযোগ করা হলে উনার স্ত্রী আরফাহ আক্তার কল রিসিভ করে বলেন, ‘আমার স্বামী ভুলে বাড়িতে মোবাইল রেখে গেছেন। ’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম ফরহাদ চৌধুরী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনিউজ/এসডিপি 

আইনিউজ ভিডিও 

এসএসসি: সব প্রশ্ন কমন পড়েছে, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়