ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৭ ১৪২৭

ভ্রমণ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১৪, ২ অক্টোবর ২০২০

‘সোনেভা ফুশি’: জলের ওপর গড়া বিশ্বের বৃহৎ ভিলা

জলের ওপর গড়া বিশ্বের বৃহৎ ভিলা ‘সোনেভা ফুশি’

জলের ওপর গড়া বিশ্বের বৃহৎ ভিলা ‘সোনেভা ফুশি’

বিলাসিতা আর মালদ্বীপের রিসোর্ট যেন সমার্থক। তবে আগের সবগুলোকে ছাড়িয়ে রেকর্ড গড়লো ‘সোনেভা ফুশি’। দাবি করা হচ্ছে, এটাই জলের ওপর গড়া বিশ্বের বৃহৎ ভিলা। এতে রয়েছে বিশাল আকারের এক বেডরুম ও দুই বেডরুমের কয়েকটি ভিলা।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ‘সোনেভা ফুশি’র উদ্বোধন হয়েছে। এটি ঠিক কতটা বড়? এক বেডরুমের ভিলার আয়তন ৬ হাজার ২৮৫ বর্গফুট। আর দুই বেডরুমের ভিলার দৈর্ঘ্য ৯ হাজার ২২৪ বর্গফুট। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে গড় অ্যাপার্টমেন্টের চেয়ে আট গুণ এবং লন্ডনে মানসম্পন্ন ফ্ল্যাটের চেয়ে ১২ গুণ বড় সোনেভা ফুশি। সুতরাং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভ্রমণের জন্য এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!

মালদ্বীপে নীল জলরাশির ওপর ‘সোনেভা ফুশি’র চেয়েও বড় আয়তনের ভিলা আছে। কিন্তু এক বেডরুম ও দুই বেডরুমের ভিলা হিসেবে এটাই সবচেয়ে বড়।

নতুন রিসোর্টটিতে আটটি স্যুট বুকিং দেওয়া যাচ্ছে। এগুলোর নাম ‘ওয়াটার রুমস’। সবকটিতেই কাচের মেঝে রয়েছে। ফলে নৌযানে না চড়েই সাগরের প্রবাল ও মাছ খুব কাছ থেকে দেখা যায়।

প্রতিটি স্যুটে মিলছে আলাদা আউটডোর বাথটাব, কাঠ দিয়ে বানানো বারান্দা, সূর্যস্নানের আসন, ১৯ মিটারের ওয়াটারস্লাইড। ওপর থেকে স্লাইড দিয়ে সাগরের জলে গড়িয়ে পড়া যায়। সমুদ্রের পানি নামা যথেষ্ট মনে না হলেও অসুবিধা নেই, পুল সুবিধা আছে। মাথার ওপর ছাদ চাইলে সরিয়ে রাতে বিছানা থেকেই তারা গোনা যাবে!

রিসোর্টটিতে কয়েকটি রেস্তোরাঁ (চকোলেট রুমসহ), একটি কিডস ক্লাব, টেনিস কোর্ট, মহাকাশ দেখার টেলিস্কোপ, স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য প্রবালপ্রাচীর ও গ্লাস-ব্লোইং সেন্টার। এছাড়া রুম সার্ভিস পাওয়া যাবে সারাক্ষণ।

সোনেভা ফুশিতে রয়েছে ভারত মহাসাগরে বৃহত্তম আউটডোর প্রেক্ষাগৃহ ‘সিনেমা প্যারাডিসো’। ফলে কোথাও না গিয়েও সারাদিন দিব্যি কেটে যাবে। এক বেডরুমের ভাড়া প্রতিরাত ২ হাজার ৬২৬ মার্কিন ডলার (২ লাখ ২৩ হাজার টাকা)। দুই বেডরুমের ভিলা প্রতিরাত ৫ হাজার ২৩২ মার্কিন ডলার (সাড়ে ৪ লাখ টাকা)।

মালদ্বীপের অন্যান্য ভ্রমণ গন্তব্যের মতো ‘সোনেভা ফুশি একটি পৃথক দ্বীপে অবস্থিত। এর নাম কুনফানেডু আইল্যান্ড। দেশটির সব রিসোর্টেই আগাম বুকিং দিতে হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির হতাশা কাটাতে এখন যারা ভ্রমণে তুমুল আগ্রহী তাদের জন্য সুখবর, মালদ্বীপে যেকোনও দেশের পর্যটকরা যেতে পারছেন। জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে দেশটি ভ্রমণে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে। এমনকি করোনা নেগেটিভ সনদও লাগে না। শুধু একটাই নিয়ম- প্রত্যেকে যে দ্বীপে যাবেন, তাকে শুধু সেখানেই বেড়াতে হবে।

তথ্যসূত্র: লোনলি প্লানেট

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়