ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২,   আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:০৫, ২৫ ডিসেম্বর ২০২১
আপডেট: ১৭:০৬, ২৫ ডিসেম্বর ২০২১

হিন্দুরা বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে, মুসলিমরা জানায়নি: তসলিমা নাসরিন

আজ পবিত্র বড়দিন, খৃষ্টধর্মের সবচেয়ে পবিত্রতম দিন। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের গির্জাগুলোতে শ্রদ্ধাভরে পালিত হচ্ছে এ দিনটি। আলোকসজ্জ্বাসহ বিভিন্ন জাকজমক দেখা যাচ্ছে দেশজুড়ে। তবে তসলিমা নাসরিন এমনটা ভাবছেন না দিনটি নিয়ে। 

বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক টুইটে তিনি বলেন, বড়দিনের যতো শুভেচ্ছা আছে তার সবই আমি আমার হিন্দু বন্ধুদের থেকে পেয়েছি। মুসলিম বন্ধুদের থেকে নয়। ঈদের শুভেচ্ছা আমি হিন্দু ও মুসলিম উভয় ধর্মের বন্ধুদের থেকেই পাই। কিন্তু পূজা আসলে শুধু হিন্দুরা শুভেচ্ছা জানায়। এতেই অনেক কিছু বোঝা যায়।

খ্রিষ্ট বিশ্বাস মতে, ঈশ্বরের অনুগ্রহে ও অলৌকিক ক্ষমতায় কুমারী মেরি যিনি মুসলমানদের কাছে হজরত মরিয়ম (আ.) হিসেবে পরিচিত কুমারী হওয়া সত্ত্বেও গর্ভবতী হন। ঈশ্বরের দূতের কথামতো শিশুটির নাম রাখা হয় যিশাস, বা ‘যিশু’।

আজ থেকে প্রায় ২ হাজার ২০ বছর আগে জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরের এক গোয়ালঘরে জন্ম হয় যিশুর। সেই শিশুটিই বড় হয়ে পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনালেন।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে শান্তি ও কল্যাণের বাণী নিয়ে যিশু খ্রিষ্ট্রের জন্মদিন উদযাপন করছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। প্রার্থনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা তাদের বড় ধর্মীয় উৎসব-বড়দিন উদযাপন করছেন।

শনিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের গির্জায় গির্জায় শুরু হয় বড়দিনের উৎসব। সকাল থেকেই রাজধানীর তেজগাঁওয়ের হলি রোজারিও চার্চে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভিড় জমিয়েছেন যীশু খ্রিষ্টের অনুসারী নানা বয়সী মানুষ। এসময় নিউ টেস্টামেন্ট থেকে শ্লোক আর গসপেল থেকে সুসমাচার আবৃত্তি করে তারা মানবজাতির প্রতি যীশুর ব্রত, ত্যাগ ও শিক্ষা স্মরণ করেন।

যাজকরা জানান, মহান যীশু মানবের মুক্তির জন্য এসেছিলেন। বড়দিনে তার সেই বাণী উচ্চারিত হচ্ছে প্রতিটি চার্চে। স্মরণ করা হচ্ছে মানুষের জন্য করা তার মহান ত্যাগের বাণী।

আইনিউজ/এসডি

ওমিক্রন এক চেনা উদ্বেগ, করোনাভাইরাসের `ভয়াবহ` ভ্যারিয়েন্ট

ঘুরে আসুন মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়

হাইল হাওরের বাইক্কাবিলে পর্যটক আর পদ্মটুনার ভিডিও ভাইরাল

Green Tea
সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়