ঢাকা, রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৮ ১৪২৭

রাকিবুর রহমান

প্রকাশিত: ১৭:৪২, ৮ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১৮:১৬, ৮ মার্চ ২০২১

জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ভ্রমণ করতে চাই

পতাকাকন্যা নাজমুন নাহার

পতাকাকন্যা নাজমুন নাহার

লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার গঙ্গাপুর গ্রামে জন্ম। ছোটবেলা থেকেই ছিল বিশ্ব ঘুরে দেখার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে শুধু লালন নয়, করেছেন বাস্তবে রূপান্তরও।
 
বলছিলাম দেশব্যাপী আলোচিত পতাকাকন্যা খ্যাত নাজমুন নাহারের কথা। স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই দশক ১৪৪টি দেশ ভ্রমণ করেছেন এ নারী। এর ভ্রমণকালে তার একমাত্র সঙ্গী ছিল বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।

চলতে গিয়ে পেয়েছেন নানা পদকও। বিশ্বের ১০০ দেশ ভ্রমণ শেষে তাকে ফ্ল্যাগ গার্ল (পতাকাকন্যা) উপাধি দেয় জাম্বিয়া সরকার। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পিস টর্চ বিয়ারার, আর্থ কুইন ও জন্টা ইন্টারন্যাশনাল-এর গেম চেঞ্জার অব বাংলাদেশসহ বিভিন্ন পদক পেয়েছেন নাজমুন নাহার।

করোনাকালেও চারটি দেশ ভ্রমণ করেছেন তিনি। সম্প্রতি ফিরেছেন দেশে। ভ্রমণকালে বিশ্বের কাছে নিজের প্রিয় মাতৃভূমিকে তুলে ধরেছেন নাজমুন নাহার। তাদের জানান দিয়েছেন দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিকতার কথা।

ছোটবেলা থেকেই ছিল বিশ্ব ঘুরে দেখার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণে ছুটে চলেছি এক দেশ থেকে অন্য দেশ। 

নাজমুন নাহার বলেন, ২০০০ সালে বিশ্ব ভ্রমণের প্রথম যাত্রা শুরু হয় আমার। সে বছর মাকে নিয়ে প্রথমে ভারত যাই। সেখানে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে অংশগ্রহণ করি। সমাবেশটিতে আমরা ছাড়াও আরও ৮০টি দেশের নাগরিকরা অংশ নেন।     

এ পর্যন্ত ১৪৪টি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি দেশে মা সঙ্গে ছিল। বাকিগুলো একাই ঘুরেছি। 

মেয়ে হিসেবে দেশের বাইরে ভ্রমণে বাধা-বিপত্তি ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুন নাহার বলেন, আমার বাবা এবং দাদা দুজনই ছিলেন ভ্রমণপ্রিয়। বিভিন্ন আরব দেশ ঘুরেছেন তারা। সেসব দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা তাদের মুখে শুনেছি। মূলত তাদের দেখেই আমি বিশ্ব ভ্রমণের স্বপ্ন লালন করতাম। তারাও আমাকে উৎসাহ দিতেন। 

আরও দেশ ভ্রমণের আগ্রহের কথা জানিয়ে নাজমুন নাহার বলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ভ্রমণ করতে চাই। বিশ্ব ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলো তুলে ধরে বই লিখতে চাই।

আইনিউজ/আরআর

Green Tea
সারাবাংলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়