Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, রোববার   ১৫ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১ ১৪৩২

আই নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০২, ১ নভেম্বর ২০২৩
আপডেট: ১১:০৭, ১ নভেম্বর ২০২৩

পদ্মাসেতুতে আজ থেকে চলছে যাত্রীবাহী ট্রেন 

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পদ্মাসেতুতে আজ থেকে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস নামের ট্রেন দু'টি চলবে। আর এর মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন রেল যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে।  

আজ বুধবার (১ নভেম্বর) সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি খুলনা থেকে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে এসে পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাবে ভোর ৫টায়। 

এ ছাড়া, দ্বিতীয় বাণিজ্যিক ট্রেন হিসেবে ২ নভেম্বর বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৫)। ট্রেনটি বেনাপোল থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মাসেতুর ওপর তৈরি রেলপথ গত ১০ অক্টোবর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের ৭ দিন পর এই পথে বাণিজ্যিক ট্রেন চালানোর কথা থাকলেও ১৪ দিন পর ট্রেন চালানো হচ্ছে। এছাড়া এ রেলপথে যে উচ্চ ভাড়া প্রস্তাব করা হয়েছিল, জনসাধারণের কথা ভেবে সেটি কমিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

পদ্মাসেতুতে ট্রেন ভাড়া কতো? 
নতুন ভাড়া অনুযায়ী, খুলনা থেকে ঢাকা পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫০০ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ৯৫৫ টাকা, এসি সিটের ভাড়া এক হাজার ১৪৫ টাকা এবং এসি বার্থে ভাড়া এক হাজার ৭২০ টাকা। প্রথম প্রস্তাবে এই পথে ভাড়া ধরা হয়েছিল মেইল ট্রেনের জন্য ২০৫ টাকা, কমিউটার ট্রেনের জন্য ২৫৫ টাকা, আন্তঃনগর ট্রেনের শোভন চেয়ারের জন্য ৬১৫ টাকা, এসি চেয়ারের জন্য এক হাজার ১৭৩ টাকা, এসি সিটের জন্য এক হাজার ৪০৯ টাকা এবং এসি বার্থের জন্য দুই হাজার ১১১ টাকা।

অন্যদিকে বেনাপোল থেকে ঢাকা পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৪৮০ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ৯২০ টাকা, এসি সিটের ভাড়া এক হাজার ১০৪ টাকা এবং এসি বার্থে ভাড়া এক হাজার ৬৫৬ টাকা।

রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বলেন, নতুন রুটের ট্রেনগুলো কমলাপুর স্টেশনের ৮, ৯ ও ১০ নম্বর প্ল্যাটফর্ম হয়ে চলাচল করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত আরো পাঁচ জোড়া (১০টি) ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঢাকা-ভাঙ্গা রুটে ট্রেনগুলো চালানো হবে।

এদিকে রাজশাহী থেকে ঢাকা পর্যন্ত একটি ট্রেন চালানোর প্রস্তাব রয়েছে। এখন রাজশাহী থেকে মধুমতী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভাঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করে। পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে এটিকে ঢাকা পর্যন্ত নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা-পদ্মা সেতু-রাজবাড়ী রুটে একটি কমিউটার ট্রেন চালানোর কথাও ভাবছে রেলওয়ে।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়