Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৬,   মাঘ ১৬ ১৪৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৩৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

অবতরণের সময় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৪

মহারাষ্ট্রের বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। ছবি: সংগৃহীত

মহারাষ্ট্রের বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় রাজ্যটির উপমুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজে থাকা আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারি কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উড়োজাহাজটিতে মোট চারজন আরোহী ছিলেন এবং দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার, তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা (পিএসও), একজন সহকারী এবং দুইজন ক্রু সদস্য।

দুর্ঘটনার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি দাউদাউ করে জ্বলছে। দমকল বাহিনী আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত হয় এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে। উদ্ধার কার্যক্রম চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের উদ্দেশ্যে অজিত পাওয়ার প্রাইভেট উড়োজাহাজে মুম্বাই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন। তিনি মহারাষ্ট্রের ‘জোট’ সরকারের অন্যতম শরিক নেতা।

এনডিটিভির খবরে আরও বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মুম্বাই থেকে রওনা হন। নিজের নির্বাচনী এলাকা বারামতীতে চারটি নির্বাচনী সমাবেশে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত লিয়ারজেট-৪৫ উড়োজাহাজটি ভিএসআর ভেঞ্চারস পরিচালনা করত।

অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরদ পাওয়ারের ভাতিজা।

অজিত পাওয়ারের সংক্ষিপ্ত জীবনী-
অজিত পাওয়ারের জন্ম ১৯৫৯ সালের ২২ জুলাই মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার দেওলালি প্রভারায়। তাঁর বাবা অনন্তরাও পাওয়ার তৎকালীন বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) বিখ্যাত রাজকমল স্টুডিওতে কর্মরত ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর শিক্ষাজীবনে ছেদ পড়ে। তিনি মহারাষ্ট্র রাজ্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।

১৯৮২ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি একটি সমবায় চিনি কারখানার পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচিত হন। সে সময় তাঁর চাচা শরদ পাওয়ার রাজ্য রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠেন।

ইএন/এসএইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়