ঢাকা, শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ৯ ১৪২৮

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত: ২২:২৭, ১৬ জুলাই ২০২১
আপডেট: ০০:২১, ১৭ জুলাই ২০২১

হোম অফিস অনেক বেশি পরিবেশসম্মত ও সাশ্রয়ী

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারী বা অতিমারী ঘোষণা করলো। ইতিমধ্যে এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেল। কোরোনা কালের ভালো মন্দ নিয়ে লিখতে বললেন আমার এক বন্ধু। তাই ফিরে তাকালাম সেই ১৯ মার্চ ২০২০ এর দিকে, যেদিন অফিস থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিলাম তিন সহকর্মীসহ অফিসের মাইক্রোবাসে। পরদিন থেকে লকডাউন। বাসায় বসে অফিস করতে হবে। অফিস ছুটির আগে সবাইকে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম বাসায় বসে অফিস করার নিয়মাবলী।

আমার বিশ্বাস, আমরা এভাবে করলে খুব অসুবিধা হবে না। করোনা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। হোম অফিস করা যায়। পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায়। ভ্রমণ ভাতা বা ভ্রমণের সময় বাঁচানো যায়। গাড়ির খরচ কমানো যায়। সভা সেমিনারে খাওয়া দাওয়ার বাড়তি ঝামেলা এড়ানো যায়। মিটিং বা সিটিং এলাউন্স বাঁচানো যায়। 

আমাদের অফিসের অনেকে আগেও বাসায় বসে কাজ করেছে। তাই আমাদের সবাই হোম অফিসের সাথে পরিচিত। তাছাড়া, আমরা আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সেমিনার বা কর্মশালায় অভ্যস্ত। আমাদের সংস্থা একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাথে কাজ করে। তাই আমাদের অনলাইন মিটিং করতে হতো। আমাদের ১২ মার্চ ২০২০ তারিখেও একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার ছিল যেখানে ২৫-৩০ টি দেশের প্রায় ৬০-৭০ জন অংশগ্রহণকারী ছিলেন। আমিই ছিলাম মূল বক্তা। আমরা GoToMeeting নামক একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতাম। আগে কখনও ঝুম বা গুগুল মিট ব্যবহার করিনি।

২০ মার্চ ২০২০ তারিখ সকালেই আমাদের বিভিন্ন মিটিং এর জন্য GoToMeeting এক বছরের জন্য সাবস্ক্রাইব করলাম। পরদিন থেকে আমাদের অফিসের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হল সে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। মনে হল, বাসায় বসে কাজ করলে কাজের অগ্রগতি বেশিই হয়। আগে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা সময় ব্যয় হতো। সকাল ৮ টায় বের হতে হতো। এখন সকালে নাস্তা করে ঠিক নয়টায় বসলেও হচ্ছে। সকালে এক ঘণ্টা আর সন্ধ্যায় এক ঘণ্টা করে মোট দু'ঘণ্টা আমাদের বেঁচে গেল। সাথে গাড়ির তেল পোড়ানো, গাড়ির depreciation ও ড্রাইভার এর ওভারটাইমতো আছেই। যেদিন বাইরে কোন মিটিং থাকে সেদিন বেশিরভাগ সময়টা চলে যায় রাস্তায়। তাই, শুরুতে আমরা বেশ উৎসাহ নিয়েই বাসায় বসে কাজ করতে লাগলাম। অনেক সময় রাতেও মিটিং করতে হয়েছে। কখনও কখনও মনে হয়েছে কোভিডের কারণে আমাদের কর্মঘণ্টা বেড়ে গিয়েছে। সবাই বেশ উৎসাহ নিয়েই কাজ করছিল। ইনসেন্টিভ মনে করতো, অফিসে যেতে হচ্ছে না। 

যত উৎসাহ নিয়ে কাজ করুক না কেন, করোনা এর কারণে মাঝে মাঝে কোনো ঘনিষ্ট বন্ধু বা নিকট আত্মীয়ের মৃত্যু সংবাদে আমরা খুবই বিচলিত হয়ে পড়তাম। সবার মধ্যে এক ধরণের ভয়, কষ্ট ও দুশ্চিন্তা। 

এপ্রিল মাসে আমাদের কাজের চাপ খুব বেড়ে গেল। আমাদের সব সহকর্মীদের অংশগ্রহণ করে একটি প্রকল্প তৈরির কাজ চলছিল। বলা যায় চূড়ান্ত করার কাজ চলছিল। প্রতিদিন মিটিং এর পাশাপাশি প্রত্যেকের লেখার কিছু দায়িত্ব ছিল। সবাই লিখছে। কিন্তু মনে হচ্ছিল অন্যান্য সময়ে সে মান সম্পন্ন লেখা তারা লিখে থাকে, এখন তা সেরকম হচ্ছে না। হয়ত এটিই করোনা এর প্রভাব। অথবা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম এর দুর্বল দিক। কিছু একটা লিখে জমা দিয়ে দিচ্ছে। আমরা অনলাইনে চেক করতে শুরু করলাম সবাই সার্বক্ষণিক ল্যাপটপে আছে কি না। মাঝে মাঝে WhatsApp বা মেসেঞ্জারে কল দিতাম বুঝার জন্য সে নেটে আছে কি না। যদি না ধরে তখন মোবাইল নম্বরে কল দিতাম। দেখা যেত তখন সেখানে বিদ্যুৎ নেই বা নেট নেই। আমাদের সহকর্মীদের অবিশ্বাস করার সুযোগ নেই। তারা আগেও হোম অফিস করেছে। কিন্তু আমাদের প্রত্যাশা ছিল, তারা ৯-৫ টা অফিসের মতোই ল্যাপটপের সামনে বসে কাজ করবে। কাজের গুণগত মান নিয়ে আমাদের মনে যেন কোন প্রশ্ন না জাগে। আমাদের টিম ওয়ার্ক নিয়ে আমার খুব তৃপ্তি ছিল। তবে, আমার দু'জন সহকর্মী অসাধারণ পরিশ্রম করতে পারেন। আমাদের সংস্থার সুনামের পেছনে যে দু'জনের অবদান ৮০ শতাংশ। একজন রাত ৩টা বা চারটায়ও কাজ শেষ করে ড্রপবক্সে রেখে দেন। আমি রাগ করি নিজের শরীরের ওপর এতো অত্যাচার করার জন্য। 

আমরা এ লকডাউন এর মধ্যে সে প্রকল্প চূড়ান্ত করে দাতা সংস্থার সাথে চুক্তি সই করলাম। বলতে গেলে লকডাউন আমাদের কোন সমস্যা করে নি। হোম অফিস করেও সফলতার সাথে বেশ বড় একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে গেলাম।

আমরা জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলাম। পত্রিকা, বিডিজবস ও ফেসবুকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে ১৬টি পদে শত শত দরখাস্ত পেলাম। এসব দরখাস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শর্ট লিস্ট করলাম ও ভার্চুয়াল ইন্টারভিউ এর আয়োজন করলাম। দেশে প্রায় সবাই ঝুম ব্যবহার করে। আমরাও ঝুম সাবস্ক্রাইব করলাম। ঝুমের মাধ্যমে সবার ইন্টারভিউ নিলাম। মজার বিষয় হল, আমরা প্রায় শতাধিক প্রার্থীর ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম ঝুম বা মেসেঞ্জারে। শুধুমাত্র ৫-৭ জন যারা সিকিউরিটি স্টাফ বা অফিস সহকারী পদে আবেদন করেছে তারাই শুধু মোবাইলে গ্রুপ কলের মাধ্যমে ইন্টারভিউ দিয়েছে। এত অল্প সময়ে সবাই ঝুম বা মেসেঞ্জারে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে তা আমাদের ধারণাও ছিলনা। মে মাসের মধ্যেই আমরা নিয়োগ দিয়ে দিলাম। 

সমস্যা ছিল মাঠে। আমাদের এ প্রকল্পটি ছিল উখিয়াতে। সেখানে স্থানীয়ভাবে কঠোর লকডাউন চলছিল। উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করতে চাচ্ছিল সেখানে যেন করোনা ছড়িয়ে না পড়ে। কারণ করোনার থাবা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পড়লে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করে বিশেষ অনুমতি নিয়ে ১৬ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে উখিয়া পাঠালাম। উপজেলা প্রশাসন শর্ত দিয়েছিল যারা আসবে তাদের উপজেলা প্রশাসনে প্রথমে রিপোর্ট করতে হবে এবং ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আমরা সে মোতাবেক তাদের মাঠে পাঠালাম। তারা সবাই ১৪দিন পর মাঠে কাজ শুরু করে। আমরা তাই করলাম। এতে কারো কোন অসুবিধা হয় নি।

লকডাউন শিথিল হল। আমরা একটি বিষয় মেনে নিলাম। হোম অফিস সাধারণ অফিসের ভালো বিকল্প। এর মধ্যে দেশেও অনেক সংস্থার সাথে জুম মিটিং হলো। আমরা সবাই কেমন যেন জুম অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। সবচেয়ে ভালো লাগলো আমাদের শিশুরাও জুমে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। নিয়মিত ক্লাস করছে। একসময়ে বাবা মা তাদের বাচ্চাদের মোবাইল বা ট্যাব বা ল্যাপটপ দিত না। কিন্তু করোনা সবাইকে এর ভালো একটি দিক শিখিয়ে দিয়ে গেল। কিন্তু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নাকি  কিছুটা আপত্তি ছিল বা এখনও আছে। আবার কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা শুরুতে বেশ উপভোগ করলেও পরে নাকি ধীরে ধীরে উপিস্থিতি কমে এসেছে। জানি না কেন? বিদেশে অনেক কোর্স আছে অনলাইনে। 

লকডাউন উঠে যাবার পর আমরাও আমাদের অফিস পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনলাম। সপ্তাহে দু'দিন (রবি ও বৃহস্পতিবার) অফিসে যাওয়া আসা শুরু করলাম। সত্যি বলতে কি, আমাদের মনে হচ্ছিল অফিস এর চাইতে বাসায় বসে কাজ ভালো ও বেশি হয়। অফিসে কারণে অকারণে আমরা অনেক বেশি কথা বলি। অনেক ভিজিটর আসেন। তাদের সময় দিতে হয়। তবুও ফিজিক্যাল অফিস দু'দিন আর তিনদিন হোম অফিস আমরা চালু করলাম। বিদেশে বিশেষ করে আমেরিকা-কানাডাতে দেখতাম করোনার আগেও অনেকে সপ্তাহে ২-৩ দিন হোম অফিস করে। কেউ অভিযোগ করেনি যে এতে তাদের আউটপুট কম হচ্ছে। আমারও এখন তাই ভালো মনে হয়।

করোনাকাল এভাবে কাটছে। অনেক ওয়েবনার হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন ওয়েবনারে যোগদান করছি। কোন কোন দিন একাধিক ওয়েবনারে যোগদান করতে হয়। কোনটি দেশের আবার কোনটি বিদেশের। দেশে আমরা সবাই এখনও সমান ভাবে প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠিনি। তাই দেশের ওয়েবনারে কিছুটা উন্নতির প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমরা সময় মত শুরু বা শেষ করতে পারিনা। আমাদের দেশের ওয়েবনারের বড় সমস্যা হল আমরা এটি সেমিনার বা ওয়ার্কশপের মতো করেই করি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্ধু বা সহকর্মীদের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময়, এরপর সব অতিথির আগমনের অপেক্ষা, এরমধ্যে নিজের ঝুমে মিউট না করে অন্যের সাথে কথা বলা সব মিলিয়ে শুরুতেই একটু অব্যবস্থা আমরা প্রায়ই দেখি। ফলে শুরুটাই দেরি করে ফেলি। আমাদের ওয়েবনারে থাকেন প্রধান অতিথি, বিশেষ অথিতি, মূল প্রবন্ধ পাঠক, আলোচক ইত্যাদি। শুরু হয় অংশগণকারীদের পরিচিত পর্ব দিয়ে। কে শুরু করবে তার কোন ঠিক থাকে না। ফলে একাধিক ব্যক্তি বলতে শুরু করেন। আসলে এর কোন প্রয়োজন নেই। যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের নাম ও ঠিকানা চ্যাট বক্সে লিখে দিলেই হয়।  বলতে গেলে কেউ বলেন শুধু নিজের নাম ও সংস্থার নাম আবার কেউ কোন পদে আছেন, এর আগে কোথায় ছিলেন ইত্যাদি। এভাবে আধঘণ্টার বেশি চলে যায়। এরপর আসল বিষয় নিয়ে আলোচনা। যিনিই কথা বলেন, আমাদের রীতি মোতাবেক অনুষ্ঠানে যারা আছেন সবাইকে সম্বোধন করতে গিয়ে বেশ কিছু সময় আমরা নষ্ট করে ফেলি।  এটি যে শুধু প্রথম বক্তা বলছেন তা নয়, সব বক্তা ফ্লোর পেলেই একইভাবে সম্বোধন করে থাকেন। এর মাঝে অনেকের মাইক্রোফোন মিউট করা না থাকলে ব্যক্তিগত আলাপ মিটিংয়ে শোনা যায়। অনুরোধ করতে হয় মিউট করার জন্যে। সব বক্তৃতা শেষ হলে সঞ্চালক প্রশ্ন বা মতামত আহবান করেন। যদিও কাজটি চ্যাট বক্সে প্রশ্ন বা বক্তব্য লিখে দিলেও হয়, তা না করে অনেকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ নেন। এ সুযোগে আবার সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্বোধন করে কথা বলতে থাকেন। তখন প্রশ্নের চেয়ে অন্যান্য বিষয়ে বেশি সময় চলে যায়। এরপর থাকে বিশেষ অতিথি ও প্রধান অতিথির বক্তৃতা। সব মিলিয়ে খুব কম ওয়েবনার দেখলাম যা সময়মতো শেষ হয়েছে। ওয়েবনার এক থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি হলে ধৈর্য্য থাকে না। তাই আমাদের চেষ্টা করা উচিত প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানো।

বিদেশে যেসব ওয়েবনার আয়োজন করে, সেখানে এসবের বালাই নেই। সরাসরি মূল বক্তা বিষয়টি উপস্থাপন করে থাকেন। একাধিক বক্তাও থাকতে পারেন। কেউ ১০-১৫ মিনিটের বেশি বক্তৃতা দেন না। বক্তৃতা শেষে উপস্থাপক প্রশ্ন আহবান করেন। মুখে প্রশ্ন করার সুযোগ খুব একটা থাকে না। সাধারণত চ্যাট বক্স বা কিউএ বা প্রশ্ন উত্তর বক্সে প্রশ্ন লিখে দিতে হয়। সঞ্চালক প্রশ্নগুলো পড়েন ও বক্তা উত্তর দেন। এতে ঠিক সময়ে শুরু ও শেষ করা যায়। 

আমার বিশ্বাস, আমরা এভাবে করলে খুব অসুবিধা হবে না। করোনা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। হোম অফিস করা যায়। পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায়। ভ্রমণ ভাতা বা ভ্রমণের সময় বাঁচানো যায়। গাড়ির খরচ কমানো যায়। সভা সেমিনারে খাওয়া দাওয়ার বাড়তি ঝামেলা এড়ানো যায়। মিটিং বা সিটিং এলাউন্স বাঁচানো যায়। সেমিনারে স্টেশনারি খরচ বাঁচানো যায়। লিখে প্রশ্ন করলে সময় বাঁচানো যায়। বার বার সম্বোধন না করা যায়, সেমিনার বা কর্মশালায় কে কোন জায়গায় বসলো তা নিয়ে অনেক সময় ঝামেলা হয় তা থেকেও বাঁচা যায়। অফিস ভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় বাঁচানো যায়। আসলে এর একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব করা খুব দরকার। 

আমার মনে হয় করোনা শেষ হয়ে গেলেও আমাদের সেই আগের ধারায় ফিরে যাওয়া ঠিক হবে না। আমাদের করোনাকালীন হোম অফিস বা সেমিনার কর্মশালা অনেক বেশি পরিবেসসম্মত ও সাশ্রয়ী। তাই আমরা নতুন পথে হাঁটবো। করোনা থেকে আমি এটাই শিখেছি।

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক নির্বাহী পরিচালক, আরণ্যক ফাউন্ডেশন; সাবেক সিনিয়র রিসার্চ অফিসার, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট 

  • খোলা জানালা বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। eyenews.news-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে eyenews.news আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।
Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়