ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:১৬, ১৩ জুলাই ২০২০
আপডেট: ০১:২২, ১৪ জুলাই ২০২০

রিজেন্ট সাহেদ মৌলভীবাজারে!

ঢাকার করোনা নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারী প্রধান আসামী রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম মৌলভীবাজারের কোন সীমান্ত দিয়ে ভারতে যেতে পারে এমন খবর রটেছে মৌলভীবাজারে। সীমান্ত এলাকার রাস্তাগুলোতে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। সেই সাথে জেলা জুড়ে আলোচনায় সাহেদ মৌলভীবাজারের কোথাও অবস্থান করছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

আলোচনা হচ্ছে র‍্যাব তাকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করছে। তবে র‍্যাব ৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর আহমেদ নোমান জানান, এরকম কোন তথ্য তাদের কাছে নেই। তারা নিজেরাও অভিযানে নেই। যদিও হয়ও সেটা হেড কোয়ার্টারের মাধ্যমে বা অন্যকোন ইউনিটের হতে পারে।

এ দিকে কমলগঞ্জের শমশেরনগরে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৫টা থেকে আকস্মিক পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। শমশেরনগর চৌমুহনা থেকে ভারতের ত্রিপুরাগামী সড়কের মুখে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দাঁড়িয়ে যানবাহন তল্লাশি শুরু করেছেন।

শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সুত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ থেকে তাদেরকে জানানো হয়েছে ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা কেলেঙ্কারী পলাতক প্রধান আসামী সাহেদ মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে সীমান্তপথে ভারতের ত্রিপুরা যেতে পারেন। তাই সতর্কতা হিসেবে পুলিশ সদস্যদের যানবাহন তল্লাশি করতে হবে।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অরুপ কুমার চৌধুরী বলেন, সে এই দিকে আছে এমন কোন নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে যেহেতু সীমান্ত এলাকা তাই সে পালানোর চেষ্টা করতে পারে এটা আমাদের সন্দেহ আর সেই কারণেই আমরা অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহন করেছি।

সোমবার বিকাল থেকে শমশেরনগর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়।

এ দিকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের শমশেরনগর চৌমুহনায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

প্রশাসনের একটি সুত্রে জানা গেছে, সারা সিলেট বিভাগের সাথে ভারতের সীমান্ত থাকায় সব যায়গায় সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে কোন যায়গায় সাহেদ আছে সেভাবে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছেনা। বিভিন্ন তথ্যে তার অবস্থান এই দিকেই আছে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আরেকটি সুত্রে জানা গেছে সাহেদকে ধরতে গোপনে অভিযান চলছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এবং শ্রীমঙ্গলে।

তবে সবার বক্তব্য হচ্ছে কোন তথ্যই সুনির্দিষ্ট নয়। তাকে ধরতে পারলে বলা যাবে তথ্য সঠিক ছিল। তবে সীমান্ত এলাকা হওয়াতে সবাই সতর্ক।

পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, এই রকম সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই । তবে আমরা সতর্ক আছি। এই সতর্কতার নির্দেশ সব জায়গায় দেওয়া আছে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়