ঢাকা, সোমবার   ০৮ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৪ ১৪২৭

হেলাল আহমেদ

প্রকাশিত: ১৩:১২, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বাবাকে বাঁচাতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান ঢাবি শিক্ষার্থীর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শ্যামজিৎ পাল মৌলভীবাজারের সন্তান। দেশে মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রথম হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি হয় তার হাত ধরে। শ্যামজিতের বাবা বর্তমানে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত।

বাবাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শ্যামজিৎ। তবে আর্থিক অস্বচ্ছলতা তার বাবার বেঁচে থাকার আশাটুকু ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। এমন অবস্থায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার খোলা আহব্বান জানিয়েছেন তিনি।

আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শ্যামজিৎ তার বাবাকে সুস্থ করে তুলতে সমাজের অর্থবানদের উদ্দ্যেশে তার বক্তব্য তুলে নিচে তোলে ধরা হলো-

বাবা বটগাছের ছায়ার মত। সবাইকে আগলে রাখেন ঝড়-বৃষ্টি থেকে। আমাদের পরিবার নিতান্তই মধ্যবিত্ত ছোট পরিবার। আমি শ্যামজিৎ পাল। পড়াশুনা করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের চতুর্থ বর্ষে। ছোট বোন, আমি আর মা -বাবা মিলে ৪ জন সদস্য।

আর্থিকভাবে এতোটা স্বচ্ছল না হলেও অভাব ছিল না। ইচ্ছা ছিল ভালো জায়গায় পড়ে বাবা-মাকে ভাল রাখব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন চান্স পেলাম তখন ইচ্ছা পূরণের সুযোগ পেলাম।

টিউশনের টাকায় আমার খরচ আমি চালাতে লাগলাম আর পরিবারের খরচ তো বাবা চালানই। এই করোনা মহামারীতে অনেক অনেক খারাপ খবর শুনেছি। পরিবারের সদস্য হারিয়েছেন অনেকেই। ভালই চলছিল সবকিছু। কিন্তু হঠাৎ অন্ধকার হয়ে সামনে আসল আমার বাবার ফুসফুস পরীক্ষার রিপোর্ট।

এই ৫৩ বছর বয়সে এসে বাবা আমার ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত। রোগের ধরণ -Grade2 lung adenocarcinoma with mediastinal lymphadenopathy ( lung metastasis). লাং মেটাস্ট্যাসিস হওয়াতে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ছে। সেজন্য সার্জারি করা সম্ভব না। উনি এখন ডেল্টা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডাক্তার কেমো আর তারপর রেডিওথেরাপি নেওয়ার সাজেশন দিয়েছেন।

কেমো হিসেবে আপাতত Carboplatin আর Gemcitabine দিয়ে শুরু করেছেন। একটা কেমো দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। কমপক্ষে ৬ সাইকেল কেমো দিতে হবে। প্রত্যেক সাইকেলে বারবার কেমো ড্রাগ দিয়ে থেরাপি নিতে হবে।

একেকটা কেমো সাইকেল দিতে এটলিষ্ট ৫০-৫৫ হাজার টাকা প্রয়োজন। তারপর রেডিওথেরাপি তে প্রায় ১-২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। তারউপর দামী দামী ঔষধ আর টেস্ট তো আছেই।

আমার পরিবারে আমার বাবাই শুধু উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। টিউশনের টাকা দিয়ে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালানোর উপায় আমার নেই। তাই আপনাদের কাছে এসেছি।

আর্থিক সহযোগিতা পেলে আমি আমার বাবার চিকিৎসা খুব সুন্দরভাবে চালিয়ে যেতে পারব এবং আমার বিশ্বাস উনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার আমাদের ছায়া হয়ে থাকবেন অনেক অনেক বছর৷ বাবার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আমার দরকার ৭-৮ লক্ষ টাকা৷

নিচের বিকাশ বা রকেট নাম্বারে আপনারা টাকা পাঠাতে পারবেন। যেকোনো তথ্যের জন্য আমাকে কল দিয়ে সরাসরি জিজ্ঞেস করতে পারেন।

বিকাশ: 01777-227085 রকেট: 01777-2270853 আমার ব্যক্তিগত নাম্বার: 01777-227085

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
শিক্ষা ও ক্যাম্পাস বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়