ঢাকা, শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৭ ১৪২৮

আ.ন.ম মোয়াজ্জেম হোসেন

প্রকাশিত: ২২:৩৬, ১৫ জুন ২০২০
আপডেট: ০০:২৬, ১৬ জুন ২০২০

সংকট থেকে মহাসংকটে হাতি

গত কয়েক বছরে নিহত হাতিদের ৯০ শতাংশ হত্যা করা হয়েছে স্বজন হত্যার প্রতিশোধ নিতে ও রোহিঙ্গাদের দখলে থাকা হাতিদের ১২ টি করিডোর ও ২২ টি প্রাকৃতিক জলাধারসহ হাতির অন্যতম বিচরন ক্ষেত্রসমূহ নিরাপদ করতে।

মানুষগুলো জানেনা হাতির ডিএনএ’র সাথেই শতশত বছর ধরে হাতির চলার পথের মানচিত্র সংযুক্ত। তারা সে পথ ছেড়ে তো যাবেই না বরং তাদের যদি একটি হাতিও বেঁচে থাকে সে তার পূর্বপুরুষদের শত শত বছর ধরে চলা পথ ধরেই হাঁটবে যত বাঁধা আসে উপড়ে ফেলে।

অথচ প্রাকৃতিকভাবেই হাতির ডিএনএর সাথে সংযুক্ত তাদের চলার পথ। হাজার হাজার বছর ধরে যে মানচিত্র তাদের ডিএনএর সাথে মিশে আছে তাকে পরিবর্তনের সাধ্য কারো নেই। অনন্তকাল ধরে এই ম্যাপেই তারা চলবে। তাই হত্যা না করে তাদের করিডোর ও চলার পথ এবং জলাধার সহ চারণ ভূমি ফিরিয়ে দিন। সরিয়ে দিন অপরিকল্পিত রোহিঙ্গা বসতি।

তাদের চলার পথ আগলে তোমরা ঘরবাড়ি করবে, বাগান করবে, কৃষি জমি করবে বা ফসল বুনবে আর হাতি এলে তাদের বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে হত্যা করবে!

তবে আমাদের দেশে বাঘ নিয়ে প্রকল্প গ্রহণের আগে অব্যাহত বাঘ হত্যা, ডলফিন নিয়ে প্রকল্প গ্রহণের আগে অব্যাহত ডলফিন হত্যা দেখে সহজে অনুমেয়- সামনে হয়ত হাতি নিয়ে সরকার বড় কোন প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে ! তবে এখানে হাতিদের নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণের চেয়ে, অপরিকল্পিতভাবে তাদের বাসস্থান ও জলাধার এবং চলাচলের পথ বন্ধ করে যে আয়োজন- তা থেকে সরে আসলেই হাতগুলো বেঁচে যাবে ।

প্রতিনিয়ত খুব ঠান্ডা মাথায় খুনীরা একের পর এক গুলি করে ও বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে এবং বিষ দিয়ে হত্যা করে চলেছে হাতিগুলো। সরকার বা বন বিভাগ এখানে অসহায় হয়ে বা অদৃশ্য শক্তির ইশারায় হয়ত প্রতিটি হত্যাকান্ডকে স্বাভাবিক মৃত্যু বা দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করেছে। তবে প্রতিটি হাতিকে হত্যাকারীরা প্রতিটি হত্যাকান্ডের সময় কিছু ক্লো, ভুলে বা ইচ্ছে করে রেখে গেছে। যেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কর্তারা বুঝতে পারে ওদের হাত কতটা শক্তিশালী তাদের কে ধরা বা ছোঁয়া অসম্ভব ।

২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে হাতি হত্যার সাজা হিসেবে ১০ লক্ষ টাকার জরিমানা ও ৭ বছরের সাজা দেবার কথা থাকলেও এই আইনে কারো সাজা হয়েছে বলে জানা নেই।

২০১৭ সালে ও এর পূর্বে রোহিঙ্গাদের আগমনের পর উখিয়া টেকনাফের এক তৃতীয়াংশ বনভূমি সম্পূর্ণ উজাড়ের ফলে বনে খাদ্য সংকটের কারণে হাতি বারবার লোকালয়ে হানা দিচ্ছে, আর তাতে হাতির সাথে মানুষের সংঘর্ষে গত কয়েক বছরে প্রায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা , তাছাড়া কয়েকশ জন আহত হয়েছে হাতির সরাসরি আক্রমণ ও হাতির ভয়ে পালাতে গিয়ে।

শুধু উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় গত ৭ মাসে ১২ টির অধিক হাতিকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হলেও কোন অপরাধীকে গ্রেফতারপূর্বক সাজা দেয়া হয়নি বলে এতটা নির্মমভাবে একের পর এক হাতিকে হত্যা করছে সঙ্ঘবদ্ধ চক্র।

১৩ জুন ২০২০ বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার পাহাড়ি ঝিরিতে ১২ বছর বয়সী বন্য হাতিকে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে হত্যা করা হয়। হাতিটির মৃত্যুর ১২ ঘন্টা আগে হাতি হত্যার উদ্দেশ্যে পাতা একই ফাঁদে ২২ বছরের আব্দুর রহমান নামের স্থানীয় যুবক মৃত্যু বরণ করেন।

১১ জুন ২০২০ বাঁশখালী বৈলছড়ি ইউনিয়নের পাথারিয়াখোলে কাঁঠালের সাথে বিষ খাইয়ে ও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে হত্যা করে মাটিতে পুতে রাখে। যা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতিটির মৃতদেহ তুলে পোস্টমর্টেম করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ঐ এলাকায় বন্য হাতি উৎপাত করত ও বিভিন্ন সময় স্থানীয়দের আহত ও নিহত করার কারণে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে হাতিটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা মত প্রকাশ করেন।

১২ জুন ২০২০ টেকনাফ উপজেলার হ্নিলা মরিচ্যাঘোনা এলাকায় ৪০ বছর বয়সী একটি পুরুষ হাতিকে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে হত্যা করা হয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে সেদিন দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী হাতি চলার পথে অবৈধ বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে ফাঁদ পেতে ও মূল বিদ্যুতের খুটির ১০ হাজার ভোল্টের তার অস্বাভাবিকভাবে নীচে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছিল- যেন হাতি চলার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।

এ বছরের ৩ মে কক্সবাজার সদর, ইসলামাবাদের কাইস্যাঘোনায় গুলি করে মা হাতিকে হত্যা করে শাবকের সামনে! যে অসহায় হাতি শাবকটির আর্তচিৎকার প্রতিটি হৃদয়বান মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।

এ বছরের ২১ শে মার্চ রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের গোয়ালিয়া পালং এলাকার মোহাম্মদ হোসনের বাসার পাশের ধান ক্ষেতে ৩০ বছর বয়সী মৃত হাতি দেখতে পায়। স্থানীয়দের ধারণা হাতিটিকে বিষ ও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট দিয়ে হত্যা করা হয়। আর হত্যার অন্যতম কারণ হিসেবে মোহাম্মদ হোসনের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন ও নাতী রায়হান হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে হাতিটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন স্থানীয়রা- গণমাধ্যমে তার বর্ণনা এসেছে।

এই বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে, উখিয়া উপজেলার ইনানীতে ও টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম ক্ষেতে হাতির আক্রমণে মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ঐ গহীন বনে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে বেশ কয়েকটি হাতিকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানালেও- তথ্য প্রমাণের অভাবে এবং করোনা সংক্রমণের কারণে লকডাউনে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

০৭ জুন ২০২০ চকরিয়া পূর্ণগ্রাম রাজঘাট এলাকায় ২০-২৫ বছর বয়সী একটি হাতিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট দিয়ে ফাঁদ পেতে হত্যা করা হয়।

১৯ জুন ২০২০ চকরিয়ায় বন্যহাতি লোকালয়ে প্রবেশ করে খাদ্য খেতে দৌড়াদৌড়ি করতে থাকা হাতিটি ২ দিন পর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। যা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে হত্যা বলে ধারণা করেছে স্থানীয়রা।

০৬ জুন ২০১৯ লামা উপজেলার ইয়াংছা সলিমুল হকের বাগানে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে একটি বন্য জাতিকে হত্যা করা হয়।

এই সলিমুল হকের বাগানে ২০০৪ সালেও বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে ১টি হাতি হত্যা হত্যা করা হয়েছিল।

১৯ নভেম্বর ২০১৯ লামা উপজেলার চাককাটারিতে ৩ বছর বয়সি বাচ্চা হাতিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে ফাঁদ পেতে হত্যা করা হয়।

৩০ নভেম্বর ২০১৯ লামা উপজেলার ইসাকাটাকার ঝিরিতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ৪৫-৫০ বছর বয়সী একটি হাতি কে হত্যা করা হয়।

২০১৪ সালেও রহমত উল্লাহর রাবার বাগানে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে একটি হাতি হত্যা করা হয়েছে।

২০১৫ সালেও লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের হাইমারা ঝিরিতে ১টি হাতি হত্যা করা হয়েছিল।

০৪ ডিসেম্বর ২০১৪ উখিয়া উপজেলার ফালংখালী ইউনিয়নের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের একটি দাঁতাল হাতিকে ঘুনধুমের আয়ুব আলীর নেতৃত্বে হত্যা করে, দাঁত উপড়ে নিয়ে ১০০ ফুট উচু পাহাড়ের উপর থেকে হাতিটিকে নীচে ফেলে দেয় ও পরে পাহাড়ের খাদে গর্ত করে পুতে ফেলে।

২৩ জানুয়ারী ২০১৮ চকরিয়া ঘোনারপাড়া এলাকার লোকালয়ে ডুকে পড়ায় ৩৫ বছর বয়সী হাতিটিকে বনবিট কার্যালয়ের ২০০ গজ দূরে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

১০ মার্চ ২০১৬ চকরিয়া খুটাখালী ইউনিয়নের পূর্নগ্রাম এলাকায় একটি বন্যহাতিকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে।

তাছাড়া ২০১৬ সালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনারপাড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে আরো একটি হাতি হত্যা করে।

তবে পরিকল্পিত এই হত্যাকান্ড করেই খুনিরা বসে নেই। বরং এই অঞ্চলে যাতে কয়েক বছরের মধ্যে হাতি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয় তার নীল নকসাও তারা পরিকল্পিতভাবে করেছে। যাদের ছদ্মবেশে বুদ্ধি পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে- কিছু পরিবেশবাদী নামের কুলাঙ্গার।

উখিয়া টেকনাফের হাতিদের অন্যতম অভয়ারণ্য ছিল মধুরছড়া, বালুখালী, ফালাংখালী, শফিউল্লাহকাটা, জামতলা, বাঘঘোনা, কারাংখালী, উনসিপ্রাং- যার সম্পূর্ণ এখন রোহিঙ্গাদের দখলে।

প্রথমত রোহিঙ্গা আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে বন্য হাতির আক্রমনে। আর তাই তাদের প্রথম টার্গেট দক্ষিণ টেকনাফ বনাঞ্চল হাতি যেন টেকনাফ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চল হয়ে হিমছড়ি বনাঞ্চলের দিকে আসতে না পারে। আর তাই হাতির চলাচলের মূল পথ বন্ধ করতে হোয়াইক্যং জাতীয় উদ্যানের অভ্যান্তরে প্রায় ১৫০০ একর সংরক্ষিত বনকে ঘিরে পুটিবিনিয়া ও চাকমার কুল নামে কয়েক লক্ষ্য রোহিঙ্গা নিয়ে বিশাল দুটি রোহিঙ্গা বসতি গড়ে তুলে। তাতে এই অঞ্চলের ৬৮ টি হাতির প্রায় ৪০ টি দক্ষিণ টেকনাফ অঞ্চলে ও অবশিষ্ট হাতগুলো হিমছড়ি বনাঞ্চলের আশেপাশে থাকাতে দু ভাগ হয়ে যায়। এতে পরিকল্পিত ফাঁদে আটকা পড়ে টেকনাফ উপকূলে থাকা ৪০ টি হাতি।

যারা পারছেনা পূর্বদিকে যেতে নাফ নদীর কারণে। আর পশ্চিমে যেতে পারছেনা বঙ্গোপসাগরে কারণে। আর উত্তর ও দক্ষিণ পাশকে ঘিরে ৩২ টি রোহিঙ্গা শিবিরের প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের গণবসতি। তারা পরিকল্পিতভাবে কিছু বুদ্ধিমান প্রাণীর চাহিদা ও গতিবিধি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষের পরামর্শে হাতির ১২ টি করিডোর ও ২২ টি প্রাকৃতিক জলাধার সম্পূর্ণ ধ্বংস করে বসতি গড়ে তুলেছে। প্রাকৃতিক খাল, ছড়া ও ঝিরিগুলোও বাধ দিয়ে মাটি কেটে ভরাট করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে নিশ্চিহ্ন করে ফেলেছে। যাতে হাতিরা কখনো কোন দিন এ পথে না আসে ! তারা হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে ৯৪ টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিটি পয়েন্টে দেশীয় এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রধারীদের নিয়োগ করেছে সন্তর্পণে।

তাদের এখন প্রতিটি মুহূর্তে একটাই ভয় যেকোন মুহূর্তে হাতির সমগ্র পাল একসাথে আক্রমণ করতে পারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, ঘটতে পারে ইতিহাসের ভয়ংকর এক অধ্যায়। কারণ তারা জানে তারা কি করেছে। আর হাতিরা নিজেদের অধিকার রক্ষায় উত্তেজিত হয়ে যে হামলা চালাতে পারে তা শতভাগ নিশ্চিত। যদিও বর্ষায় তারা ঐ অঞ্চলে বন্ধী অবস্থায় মরতে মরতে ঠিকে থাকলেও গরম বাড়লে, পাহাড়ে খাদ্য ও পানির সংকট সৃষ্টি হলেই তারা আক্রমণ করবে তা নিশ্চিত ।

কিন্তু মূর্খ মানুষগুলো জানেনা হাতির ডিএনএ’র সাথেই শতশত বছর ধরে হাতির চলার পথের মানচিত্র সংযুক্ত। তারা সে পথ ছেড়ে তো যাবেই না বরং তাদের যদি একটি হাতিও বেঁচে থাকে সে তার পূর্বপুরুষদের শত শত বছর ধরে চলা পথ ধরেই হাঁটবে যত বাঁধা আসে উপড়ে ফেলে।

আর এখানেই হাতির সাথে মানুষের যুদ্ধ, আদিম মানুষগুলো জানলেও এই যুগের মানুষ মানতে বাধ্য নয়। তাই তারা মানুষের চলার পথ বন্ধ করার মত হাতির চলার পথ বন্ধ করার নাবালক চেষ্টা করছে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বিবেচনায় ১৯৩১ সালে উখিয়া টেকনাফ অঞ্চলের ৩০ হাজার একর বনভূমিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে সরকার।

অন্যদিকে ২০১০ সালে ২৪ শে মার্চ হাতি সংরক্ষণের জন্য ২৮ হাজার ৬৮৮ একর বনভূমি নিয়ে " টেকনাফ গেইম রিজার্ভ " গঠন করে।

যার এক তৃতীয়াংশ রোহিঙ্গাদের দখলে। যা পূর্বে কাঁচা বসতি নির্মাণ করলেও ইদানীং দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো পাকা ঘর নির্মাণ করছে বিভিন্ন কৌশলে।

ফলে বন ও বন্যপ্রাণী এবং প্রকৃতি পরিবেশ সুরক্ষার আবেদন চিরতরে মুছে যাবে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গুলো ঐক্যবদ্ধ ভাবে এই অঞ্চলের বিপন্ন হাতিগুলো রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ না তুললে একটি হাতিও এই অঞ্চলে বেঁচে থাকতে পারবেনা। তাই আর কোন প্রকল্প নয় বরং বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় অঞ্চলভিত্তিক " সেচ্ছাসেবী এলিট গ্রিন ফোর্স " গঠন সময়ের দাবী।

আ.ন.ম মোয়াজ্জেম হোসেনপ্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সেইভ দ্যা নেচার বাংলাদেশ

খোলা জানালা বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। eyenews.news-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে eyenews.news আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়