ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৯

শঙ্কর চৌধুরী

প্রকাশিত: ২১:৩৮, ২০ ডিসেম্বর ২০২১
আপডেট: ২১:৫৩, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

একাত্তরের গণহত্যায় পিতা হারানো এক সন্তানের চিঠি

‘এই নদীতেই সাঁতার কেটেছি, নৌকা ডুবিয়েছি; এই নদীতেই ভেসে গেলো বাবার মৃতদেহ’

১৯৭১ এ পাকবাহিনীর হাতে নিহত শহিদের লাশ উদ্ধারের দৃশ্য। ছবি- উইকিপিডিয়া

১৯৭১ এ পাকবাহিনীর হাতে নিহত শহিদের লাশ উদ্ধারের দৃশ্য। ছবি- উইকিপিডিয়া

একদল রাজাকার  আমাদের বাড়ি ঢুকে এবং বাড়ির পেছন দিক থেকে আমার বাবাকে ধরে নিয়ে আসে। মা তার সব  গহনা  রাজাকারদের দিয়ে বলল – 'তোমরা এগুলি সব নিয়ে যাও, শুধু উনাকে ছেড়ে দাও।' রাজাকাররা মার কাছ থেকে গহনাগুলি নিয়ে বলল, ডাক্তারবাবুকে নিয়ে যাচ্ছি আমাদের নেতার সাথে দেখা করার জন্য। নেতার সাথে দেখা করেই তিনি চলে আসবেন।

আমি এক গায়ের ছেলে। ভাটি এলাকায় বাড়ি আমার। বর্ষায় যেমন জলের মধ্যে টলমল করে, তেমনি শুকনা মৌসুমে বোর ধানের সবুজ ক্ষেতে ঘেরা থাকে আমার ছোট্ট গ্রাম। ফাগুনের মৃদু বাতাসে কোকিলের কণ্ঠ, গ্রীষ্মে কাল বৈশাখীর ঝড়, বর্ষায় বৃষ্টির রুনুঝুনু শব্দ, শরতে শান্ত জলের উপর পূর্ণিমার চাঁদ, হেমন্তে সবুজ ঘাসের উপর শিশির কনা, শীতে অতিথি পাখি আর বিলের মাছ। কলকল করে বয়ে যাওয়া নদীর পশ্চিম পাড়ে আমার গ্রাম আর পূর্ব পাশে বাজারহাট, দোকানপাট। এই নদীতে কত সাঁতার কেটেছি, স্কুলে না যাওয়ার বাহানায় নৌকা ডুবিয়েছি। শুনেছি, আমার বাবা ডা. রামানন্দ রায় চৌধুরীর মৃতদেহটাও নাকি ওই নদীতেই একদিন ভেসে গিয়েছিল।

রক্তে নদীর জল সেদিন লাল। মাইল তিনেক দুরের সসারকান্দা গ্রামের সামছু মিয়া রক্তমাখা জলের উপর  অনেক  লাশের মধ্য থেকে বাবার মৃতদেহটা চিনতে পেরে হাতের আংটি ও ঘড়িটা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর আমার মাকে ফেতর দিয়ে যান। বাবার কি হয়েছিল জানতে চাইলে বলা হত সংগ্রামের সময় মারা গেছেন। না, মানে ঠিক মারা যাননি, গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমার ডাক্তার বাবার অপরাধ ছিল তিনি গ্রামের লোকের চিকিৎসা করতেন, আর স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতেন। এতবার শুনেছি, আর যা দেখেছি, মনে হচ্ছে প্রতিটি মুহূর্ত আমার চোখের সামনে ছবির মত ভাসছে, একাত্তরের গণহত্যার এক কৌতুহলি, শান্ত, নীরব, নির্বিকার, শিশু দর্শক।

১৯৭১ সালের  ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার, রাতের খাবার খেয়ে মুক্তিযুদ্ধের জয়গান শুনতে শুনতে স্বাধীনতার নুতন সূর্য দেখার প্রত্যাশায় পেরুয়া গ্রামবাসীদের সাথে আমার বাবার পাঁচ ভাইয়ের একান্নবর্তী পরিবারের লোকজনও ঘুমিয়ে পরে । পরদিন শনিবার সকালবেলা ঘুম ভাঙে পাখীর ডাকে না, বন্দুকের গুলির শব্দে। নদীর দুই পাশ থেকে গুলাগুলি হচ্ছে। আমাদের পাড়ে মুক্তিবাহিনী, আর অপর পাড়ে রাজকার বাহিনী। গ্রামের লোকজন কেউ বলছে পালাও, আর কেউ বলছে আমাদের ভয় কিসের, আমরা তো আর যুদ্ধ করছি না। যুদ্ধ হচ্ছে মুক্তিবাহিনী আর রাজাকার বাহিনীর মধ্যে, আমাদের পালানোর দরকার কি। বাবা আমার বড়দি কল্যাণীকে বলেন আমাদের ভাইবোনদের নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে। আমাকে ঘুম থেকে তুলে আমার বড়দি আমাদের ভাইবোনদের নিয়ে অন্য সব কাকাতো এবং জ্যাঠাতো ভাইবোনদের সাথে বাড়ির পেছন দিয়ে মাঠ ধরে যেতে লাগলো। বাবা-মা,  অন্যান্য কাকিমা, জেঠিমা এবং জ্যাঠামহাশয়সহ বাড়িতেই রয়ে গেলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা রাজাকারদের চেয়ে অনেক কম ছিল, তাই গুলাগুলিতে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হওয়ার পরপরই মুক্তিবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে।  রাজাকাররা মুক্তিবাহিনীকে তাড়া করে নদী পাড় হয়ে  পেরুয়া গ্রামে চলে আসে। মাঠের মধ্যে দিয়ে আমরা বেশী দূর এগুতে পারিনি, কেউ একজন হঠাৎ চীৎকার করে বলল - রাজাকাররা এদিকেই আসছে, পালাও...। রাজাকাররা একটা উঁচু টিলার উপর দাঁড়িয়ে বন্দুক তুলে আমাদের সাথের সবাইকে তাদের কাছে যাবার জন্য আদেশ করলো আর বলতে লাগলো “বল, পাকিস্তান জিন্দাবাদ”। তখন সবই “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” বলতে বলতে তাদের নির্দেশ অনুযায়ী ছেলে এবং মেয়েদের দুইসারিতে বিভক্ত হল। ছেলেদের সারিকে বলল “তোরা  চল আমাদের নেতার সাথে দেখা করবে।“  অনেকে যেতে চায়নি, স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছে, তাদের বন্দুক দিয়ে পিটিয়ে বলল, “চল, শালা।“

বড়দি আমার হাতটা ধরে আমাকে মেয়েদের দলে রেখে দিল, বেঁচে গেল আমার প্রানটা সেদিন। শোনা গেল ঐ ছেলেদের লাইনের মধ্যে আমার এক কাকাতো ভাই এবং এক জ্যাঠাতো ভাই ছাড়া আর কেউ বেঁচে নেই।  রাজাকাররা সব ছেলেদের নদীর ওপারে নিয়ে গিয়ে লাইনে দাঁড় করায় গুলি করার জন্য। তারা দুজন খুব ছোট ছিল বলে, তাদের দুইজনকে লাথি মেরে লাইন থেকে সরিয়ে দেয়, কারন তারা দুজনের উচ্চতা এতো কম ছিল যে তাদের লাইনের সামনে রেখে গুলি করলে বড়দের পায়ের মধ্যে দিয়ে গুলি চলে যাবে। সেদিন নদীতে লাশের বন্যা বহে গেল।

সকালবেলা ঝলমলে সূর্য উঠছে। মেয়েরা শীতের শিশিরভেজা ঘাসের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। গ্রামের পাশের পাড়ার এক খালাম্মা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদছে। জানোয়াররা তার ছেলেকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে তার পুত্রবধুর সামনে। কারন একজন গ্রামবাসী রাজাকারদের হাত থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে এসে তাদের বাড়িতে আশ্রয় চায়, আর তার ছেলে সেই মানুষটির প্রান রক্ষার জন্য তাকে বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল। খালাম্মা বিলাপ করছে তার পুত্রবধুকেও জানোয়াররা ধরে নিয়ে গেছে, সে তার সম্মান বাঁচাতে পারেনি।

হাঁটতে হাঁটতে এবার মনে হল আমরা নদী পাড় হয়ে অন্য একটা বাড়িতে এসেছি। বাড়ির উঠানে মাটিতে পরে ধুলায় গড়াগড়ি দিয়ে কান্না করছে সবাই। ভাবছি ওরা কাঁদছে কেন। কাঁদছে সবার সাথে আমার মা আর বৌদি তাঁর স্বামী চিত্ত রঞ্জন রায় চৌধুরী ও শ্বশুর রামকুমার রায় চৌধুরীকে হারিয়ে, কাকিমা তাঁর ছেলে হিমাদ্রি শেখর রায় চৌধুরী ও বোনের ছেলে মিলন রায়কে হারিয়ে এবং জেঠীমা তাঁর ছেলে সমর রায় চৌধুরীকে হারিয়ে। একজন বলল আমরা বাড়ি ছাড়ার পরপরই একদল রাজাকার  আমাদের বাড়ি ঢুকে এবং বাড়ির পেছন দিক থেকে আমার বাবাকে ধরে নিয়ে আসে। মা তার সব  গহনা  রাজাকারদের দিয়ে বলল – “তোমরা এগুলি সব নিয়ে যাও, শুধু উনাকে ছেড়ে দাও।“  

রাজাকাররা মার কাছ থেকে গহনাগুলি নিয়ে বলল –

ডাক্তারবাবুকে নিয়ে যাচ্ছি আমাদের নেতার সাথে দেখা করার জন্য। নেতার সাথে দেখা করেই তিনি চলে আসবেন।

ঐ যাওয়াই ছিল তাঁর শেষ যাওয়া, বাবা আর ফিরে আসেননি। বাবাকে রাজাকাররা তাদের সাথে করে নদীর পাড়ে নিয়ে আসে। বাড়ির ভিতর থেকে ধরে নদীর পাড়ে নিয়ে আসে আমাদের পারিবারের বড় জ্যাঠামহাশয়কে এবং তাঁর একমাত্র ছেলেকে। বাড়ির জিনিসপত্র লুটপাট করার পর আগুন ধরিয়ে দেয় আমাদের বাড়িতে। দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে দোতলা কাঠের দশটি ঘরে। আমার বড় জ্যাঠামহাশয়ের চোখের সামনে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে তার নিজের হাতে গড়া সোনার সংসার, মনে হচ্ছে এ আগুন তার বুকের মধ্যে জ্বলছে। এই সময় কয়েকজন রাজাকার এসে প্রথমে আমার বাবা ডাঃ রামানন্দ রায় চৌধুরীকে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে গুলি করে। আমার জ্যাঠামহাশয় তখন পাড়ে দাঁড়িয়ে  দেখছেন রক্তে মাখা ছোটভাইয়ের লাশ নদীতে ভেসে যাচ্ছে। এদিক থেকে চোখ ফেরাতে না ফেরাতেই দেখলেন ওদিকে তার একমাত্র ছেলের দিকে গুলি চালানোর জন্য রাইফেল নিশানা করা হয়েছে। রাইফেলে ট্রিগার টিপতেই ছেলের উপর ঝাঁপ দিয়ে পড়েন আমার জেঠীমা। গুলি লাগে তাঁর মুখে। রক্তে মাখা জেঠীমা কনকপ্রভা রায় চৌধুরী যখন ভুমিতে পড়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, তাঁর ছেলে চিত্ত রঞ্জন রায় চৌধুরীকে তখন আবার গুলি করে দেহটা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। ভাই, ছেলে, আর স্ত্রীর মর্মান্তিক দৃশ্য দেখার পর আসে জ্যাঠামহাশয়ের পালা। নদীর স্রোতে রক্তমাখা জ্যাঠামহাশয় রামকুমার রায় চৌধুরীর দেহটাকেও তার ভাই আর ছেলের সাথে নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে গেল।

গতকাল যাদের সব ছিল আজ তাদের কিছুই নেই। সব হারিয়ে পরদিন শুরু হল নৌকা করে আমাদের ভারত যাওয়ার যাত্রা। পথে যেতে যেতে নদীর বাঁকে বাঁকে দেখা হল ছোট ছোট নৌকায় মুক্তিবাহিনীর জাগ্রত সৈনিকদের সাথে। ওরা আমাদের শোকে শোকাতিত হয়ে আমাদেরকে জানালো তাদের মানবিক সমবেদনা, আর বলল “আমরা যাচ্ছি জানোয়ারদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে”।

মেঘালয় বর্ডার পাড়ি দিয়ে হাজির হলাম ভারতের মাইলাম (বালাট) শরণার্থী ক্যাম্পে। ডিসেম্বর মাসের শীতে এক কাপড়ে  খাসিয়া পাহাড়ে থাকা শুরু হল আমাদের। একজন শরণার্থী দয়া করে তাদের তাবুতে আমাদের রাত্রে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দিল। দিনের বেলা এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ানো, আর লাইনে দাঁড়িয়ে  শরণার্থী ক্যাম্পের খিচুড়ি খেয়ে আমাদের কয়েকটাদিন কেটে গেল। এরপর একদিন আবার সেই আগুন, শরণার্থী ক্যাম্পে আগুন লাগে। স্বামীহারা মা পাগলিনীর মত খোঁজে বেড়াচ্ছে আমাকে। আমি দুরে একটি বালির পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে দেখছি কীভাবে তাবুগুলো পুড়ছে, আর লোকজন মৃত্যু ভয়ে দৌড়ে এদিক ওদিক পালাচ্ছে। খানিকক্ষণ পর জলের ধারে গিয়ে দেখা হল মায়ের সাথে, সন্তানকে কাছে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন মা।

কয়েকদিন পরই এলো বহু প্রত্যাশার ১৬ই ডিসেম্বর-দেশ স্বাধীন হল। সবার কী উল্লাস দেশে ফেরার!  আমার মায়ের চোখে জল, সামনে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, নেই বাড়ি, নেই ঘর, নেই স্বামী, নেই টাকা-পয়সা, শুধু মায়ের দিকে থাকিয়ে আছে ছোট ছোট ছেলেমেয়ে যাদের দরকার অন্ন, বস্ত্র,বাসস্থান, আর শিক্ষা। যৌথ পরিবারে সপ্তাহে দুইদিন রান্নাবান্না করা ছাড়া মায়ের তো আর কোনো সাংসারিক অভিজ্ঞতা নাই। মা মনে মনে ভাবছেন শরণার্থী ক্যাম্পে দিন তো ভালই কাটছিল, দিনে খাবার সংস্থান, আর রাতে মাথার উপর একটু ছাউনি। তবুও সবার পেছনে পেছনে শ্বেতবস্ত্রে সন্তানের হাত ধরে আগামী দিনের প্রত্যাশায় স্বাধীন বাংলাদেশে পদার্পণ করলেন আমার মা। তখনও বাড়িতে আগুন জ্বলছে। আমাদের খাবার ভাত নেই কিন্তু বাড়িতে ধান ঠিকই পুড়ছে। আমাদের সেই দোতলা বাড়ির নুতন নাম এখন পোড়াবাড়ি। পোড়াবাড়ি বাসের অযোগ্য হওয়ায় আমাদের থাকার জায়গা হল গ্রামের হাসপাতালে। গরু ছাগলকে সরিয়ে সেখানে আমাদের থাকার জায়গা হল। কিছুদিন পর পোড়াবাড়ির পুড়া টিন দিয়ে ছোট ছোট ঘর করে নিজ বাড়িতে থাকা শুরু হল আমাদের।

জীবন তো আমাদের সেই নদীর মত চলমান, থেমে নেই।  সুজলা, সুফলা, শস্য, শ্যামলা আমার এই সোনার বাংলার বাতাসে আমিও ধীরে ধীরে শিশু থেকে কিশোর, কিশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করলাম।  ফাগুনের ঝিরঝিরে বাতাসে দোলা মাঠ ভরা বোরো ধানের সবুজ শীষের উপর সকালবেলার লাল সূর্যটা দেখলেই মনে হয়, ঐ লাল সূর্যের উপর আমার বাবা আর ভাইয়ের রক্তের ছাপ লেগেছে। আরও একটু কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করলে মনে হল এর প্রতিটা রঙ আমার চেনা, এ যেন পিতাহারা অনাথ ছেলেমেয়ে, স্বামীহারা বিধবাপত্নী, সন্তানহারা জননী, ভাইহারা বোন, স্বজনহারা দুঃখীজনের এক জ্বলন্ত প্রতিবিম্ব।

ইতি,
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পিতা হারানো এক সন্তান

শঙ্কর চৌধুরী, কানাডা প্রবাসী

  • খোলা জানালা বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। eyenews.news-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে eyenews.news আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আইনিউজে দেখুন আরও ভিডিও খবর

৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্ত দিবসে বর্ণাঢ্য পতাকা র‍্যালি

ঘুরে আসুন মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়

মৌলভীবাজারের বিস্ময় বালিকা : ১৯৫ দেশের রাজধানীর নাম বলতে পারে

মৌলভীবাজারের সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত

এছাড়াও যে কোনও ভিডিও সংবাদের জন্য ভিজিট করুন আইনিউজের ভিডিও আর্কাইভস

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়